ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Iran War)। সেই সময়সীমা প্রায় শেষের মুখে দাঁড়িয়ে থাকতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার ট্রাম্প এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে গোটা বিশ্বে আতঙ্ক ছড়িয়েছে (Iran War)।
তিনি বলেন, “আজ রাতের মধ্যে একটি সভ্যতার মৃত্যু হতে পারে।” এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা (Iran War)। অনেকেই মনে করছেন, ইরানের উপর আরও বড় এবং ভয়ংকর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। এমনকি পরমাণু হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।
নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, একটি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনও ফিরে আসবে না (Iran War)। যদিও তিনি এটাও বলেন, তিনি এমনটা চান না, কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকেই এগোচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনও হতে পারে। তাঁর কথায়, বিশ্বের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশ্ব এবং খুব শীঘ্রই তার ফল জানা যাবে।
এই মন্তব্যের পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর একটি বক্তব্য আরও জল্পনা বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, আমেরিকার হাতে এমন একটি শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে, যার ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত শুধু প্রেসিডেন্টই নিতে পারেন। ইরান আচরণ না বদলালে সেই অস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে। এই মন্তব্য ঘিরেই অনেকে মনে করছেন, তিনি পরমাণু অস্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তবে এই বিতর্কের মাঝেই হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি। তারা জানিয়েছে, এই ধরনের জল্পনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।













