Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • শত্রুদেশের পাহাড়ে লুকিয়ে ৩৬ ঘণ্টা! এক পিস্তলেই বাঁচলেন মার্কিন সেনা, রোমহর্ষক উদ্ধার অভিযান
বিদেশ

শত্রুদেশের পাহাড়ে লুকিয়ে ৩৬ ঘণ্টা! এক পিস্তলেই বাঁচলেন মার্কিন সেনা, রোমহর্ষক উদ্ধার অভিযান

iran war 3
Email :7

ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শত্রু ঘাঁটির গভীরে একাই লুকিয়ে ছিলেন এক মার্কিন বায়ুসেনা কর্মকর্তা (US Pilot)। হাতে ছিল শুধু একটি পিস্তল। আহত অবস্থায় টানা ৩৬ ঘণ্টা এভাবেই বেঁচে ছিলেন তিনি। অবশেষে রবিবার এক দুঃসাহসিক অভিযানে তাঁকে উদ্ধার করে মার্কিন বিশেষ বাহিনী। এই ঘটনাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের ইতিহাসের অন্যতম সাহসী উদ্ধার অভিযান বলে উল্লেখ করেছেন।

জানা গিয়েছে, তিন এপ্রিল একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর দুই সদস্যের মধ্যে একজনকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও অন্যজন নিখোঁজ হয়ে যান (US Pilot)। তিনি ছিলেন অস্ত্র ব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ এক উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা। বিমান থেকে ছিটকে পড়ার সময় গুরুতর জখম হন তিনি। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি। আহত শরীর নিয়েই পাহাড়ের মধ্যে লুকিয়ে পড়েন এবং শত্রু বাহিনীর নজর এড়িয়ে টিকে থাকেন (US Pilot)।

মার্কিন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সেনা সদস্যের কাছে সামান্য খাবার, জল, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং যোগাযোগের একটি যন্ত্র ছিল (US Pilot)। কিন্তু আত্মরক্ষার জন্য কার্যত তাঁর ভরসা ছিল শুধু একটি পিস্তল। এই অবস্থায় ইরানের বাহিনী এবং স্থানীয় মানুষ তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালায়। এমনকি তাঁকে ধরিয়ে দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও করা হয়। তবুও তিনি পাহাড়ের ফাঁকে লুকিয়ে থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখতে সক্ষম হন।

পরিস্থিতি বুঝে তিনি আরও উঁচু পাহাড়ের দিকে এগিয়ে যান, যাতে উদ্ধারকারী দল সহজে তাঁকে পৌঁছতে পারে। এই সময় মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ায়, যাতে শত্রুপক্ষ ভুল জায়গায় খোঁজ চালায়। এই কৌশলই শেষ পর্যন্ত কাজে দেয়।

উদ্ধারের সময় পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। আকাশে ঘুরছিল একাধিক যুদ্ধবিমান ও নজরদারি ড্রোন। মাটিতে নামানো হয় বিশেষ বাহিনী (US Pilot)। শেষ মুহূর্তে প্রবল গোলাগুলির মধ্যেই ওই সেনা সদস্যকে উদ্ধার করে বিমানযোগে সরিয়ে নেওয়া হয়।

তবে এই অভিযানে কিছু ক্ষতিও হয়েছে। মরুভূমিতে তৈরি অস্থায়ী রানওয়েতে নামানো কয়েকটি পরিবহণ বিমান আটকে যায়। শত্রুপক্ষের হাতে যাতে না পড়ে, সেই কারণে সেগুলি ধ্বংস করে দিতে বাধ্য হয় মার্কিন বাহিনী। পরে অতিরিক্ত বিমান পাঠিয়ে উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ করা হয়।

এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একদিকে যেমন ওই সেনার বেঁচে থাকার লড়াই প্রশংসিত হচ্ছে, অন্যদিকে এই অভিযান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts