Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • অজেয় ভাবা যুদ্ধবিমান ভূপাতিত! ইরানের সামনে কি ভেঙে পড়ল আমেরিকার গর্ব?
বিদেশ

অজেয় ভাবা যুদ্ধবিমান ভূপাতিত! ইরানের সামনে কি ভেঙে পড়ল আমেরিকার গর্ব?

us war plane
Email :4

পড়াশোনায় অনেক ছাত্র থাকে যারা তত্ত্বে খুব ভাল, কিন্তু বাস্তবে গিয়ে সমস্যায় পড়ে। আমেরিকা ও ইরানের সংঘাত (Iran War) যেন সেই ছবিই সামনে আনছে। বিশ্বের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান বলে পরিচিত আমেরিকার একটি উন্নত প্রযুক্তির বিমান ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ভূপাতিত হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। আর সেই ঘটনাতেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে আমেরিকার সামরিক শক্তি।

এই যুদ্ধবিমানকে (Iran War) এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে শত্রুপক্ষের রাডারে ধরা না পড়ে। খুব দ্রুত গতিতে উড়তে পারে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে একসঙ্গে নানা তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। সব মিলিয়ে এটিকে প্রায় অজেয় বলেই মনে করা হত। কিন্তু ইরানের মাটিতে সেই ধারণা নড়বড়ে হয়ে গেছে।

ইরানের (Iran War) দাবি, তারা আরও একটি উন্নত মার্কিন যুদ্ধবিমান নামিয়েছে। যদিও আমেরিকার তরফে এই দাবি মানা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কোনও উন্নত যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের গুলিতে সম্পূর্ণ ভূপাতিত হয়নি। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সত্যিটা অনেক সময় স্পষ্ট থাকে না।

এই ধরনের একটি যুদ্ধবিমানের দাম বিপুল। একটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তা শুধু অর্থনৈতিক নয়, ভাবমূর্তির দিক থেকেও বড় ধাক্কা। এতদিন আমেরিকা ও ইজরায়েল একাধিকবার ইরানে (Iran War) হামলা চালিয়েছে। তাদের ধারণা ছিল, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে গেছে এবং সহজেই তা ভেঙে ফেলা যাবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন।

ইরান নিজেদের পুরনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেই নতুন কৌশলে ব্যবহার করছে। পাহাড়ি এলাকা, লুকিয়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র, দ্রুত মেরামতি—সব মিলিয়ে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখাচ্ছে। ফলে উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমানও নিরাপদ থাকছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও বিমান পুরোপুরি অদৃশ্য নয়। তাপমাত্রার চিহ্ন বা অন্য পদ্ধতিতে তা শনাক্ত করা সম্ভব। ইরান সেই সুযোগই কাজে লাগিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, শুধু প্রযুক্তির উপর ভরসা করে যুদ্ধ জেতা কি সম্ভব?

এই সংঘাতে আমেরিকার আরও কয়েকটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের মিত্র দেশের ভুলে বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আমেরিকার জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।

এই ঘটনার প্রভাব আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও পড়তে শুরু করেছে। কিছু দেশ এই ধরনের যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ, যুদ্ধক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে এই সংঘাত দেখিয়ে দিচ্ছে, বাস্তব যুদ্ধ কখনওই কাগজের হিসাব মেনে চলে না। প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, প্রতিপক্ষের কৌশল ও দৃঢ়তা অনেক সময় সেই হিসাব পাল্টে দিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts