ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে রাজ্যে বিতর্ক ক্রমেই বাড়ছে (Election Commission)। ফর্মের মাধ্যমে বহিরাগতদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানানো হয়। এরপর এই ইস্যুতে নির্বাচন দফতরেও উত্তেজনা ছড়ায় (Election Commission)।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। কমিশনের এক আধিকারিক জানান, যে কোনও নাগরিকের জমা দেওয়া নথি গ্রহণ করা তাদের দায়িত্ব (Election Commission)। সব নথির বিষয়ে আগাম জানা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফর্ম জমা দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কেও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয় কমিশন। জানানো হয়, আঠারো বছর বয়স পূর্ণ হলে নির্দিষ্ট সময়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করা যায়। বছরে কয়েকটি নির্দিষ্ট সময় থাকলেও, সাধারণভাবে যে কোনও সময় আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব (Election Commission)। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যেসব আবেদন নিষ্পত্তি হয়, সেগুলিই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে কার্যকর হয়।
কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, কোনও আধিকারিক নিজের ইচ্ছায় কারও নাম তালিকায় যুক্ত বা বাদ দিতে পারেন না। প্রয়োজন হলে তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা হয় এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কারও নাম বাদ গেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগও রয়েছে (Election Commission)।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়েছে। সেই নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে নজরদারির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।
এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে এবং ভোটের আগে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













