রাজ্যের সরকারি কর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কর্মীদের জন্য বড় সুখবর দিল রাজ্য সরকার। অবশেষে রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হল। সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভোটের আগে বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission) চালুর কথা বলা হয়েছিল। প্রচারের সময় বারবার এই প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছিলেন বিজেপি নেতারা। সরকার গঠনের পর থেকেই সরকারি কর্মীরা এই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার দেড় সপ্তাহের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ল।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, রাজ্য সরকারি কর্মী, বোর্ড, নিগম, স্থানীয় সংস্থা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামো সংশোধনের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
সরকারি কর্মীদের একাংশের মতে, সপ্তম পে কমিশন কার্যকর হলে কর্মীদের বেসিক বেতনে বড়সড় বৃদ্ধি হতে পারে। অনেকেরই দাবি, এক ধাক্কায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর অন্তর সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো সংশোধনের কথা। কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করেছিল। সেই সময় ন্যূনতম বেসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেসিক বেতন আড়াই লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছিল।
রাজ্যের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। যদিও বকেয়া ডিএ নিয়ে এদিন কোনও ঘোষণা না হওয়ায় কর্মীদের একাংশ কিছুটা হতাশ। তবে তাঁদের আশা, সরকার ভবিষ্যতে সেই প্রতিশ্রুতিও পূরণ করবে।











