Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • ভোটে এবার কড়া নজরদারি! প্রতিটি বুথে নজর রাখবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
রাজ্য

ভোটে এবার কড়া নজরদারি! প্রতিটি বুথে নজর রাখবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

ai cctv
Email :7

ভোটের আর এক মাসেরও কম সময় বাকি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (WB Election)। এবার প্রতিটি বুথে নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ক্যামেরা। কোনও অশান্তি বা অসঙ্গতি চোখে পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে (WB Election)।

জানা গিয়েছে, প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে বসানো হবে বিশেষ ধরনের ঘূর্ণায়মান ক্যামেরা, যা চারদিক নজরে রাখতে পারবে। একসঙ্গে অনেক মানুষ বুথে ঢুকলে তা সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়বে। প্রতিটি বুথে দুই থেকে তিনটি করে ক্যামেরা থাকবে। এই ক্যামেরাগুলি কোনও সমস্যা দেখলেই সরাসরি কমিশনের কাছে তথ্য পাঠাবে। প্রতিটি জেলায় এই তথ্য পর্যবেক্ষণের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রণ কক্ষও তৈরি করা হচ্ছে (WB Election)।

নির্বাচন কমিশনের কর্তারা বারবার জানিয়েছেন, এবার শান্তিপূর্ণ ভোট করানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও এই বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, নজরদারির জন্য একাধিক স্তরে পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথমে দায়িত্বে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার, তারপর জেলা স্তরের আধিকারিক, তারপরে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। পাশাপাশি দিল্লি থেকেও সারাক্ষণ নজর রাখা হবে (WB Election)।

সূত্রের খবর, প্রায় ৬৬০টি পর্দার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গার ছবি একসঙ্গে দেখা হবে। শুধু বুথই নয়, উড়ন্ত দলে ব্যবহৃত গাড়িতেও ক্যামেরা থাকবে, সেখান থেকেও নজরদারি চালানো হবে। ভোটকক্ষের বাইরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা।

মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, “একসঙ্গে চার জনের বেশি ভোটার বুথে ঢুকতে পারবেন না। যদি তার বেশি কেউ ঢোকেন, তা সঙ্গে সঙ্গে জানা যাবে।”

তবে এই নতুন ব্যবস্থাকে ঘিরে প্রশ্নও উঠছে। রাজনৈতিক দলগুলির একাংশের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর এই প্রযুক্তি কতটা নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এর আগেও ভোটার তালিকা যাচাইয়ের সময় বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। অনেকের নামের বানান ভুল হয়েছিল, আবার অনেক ক্ষেত্রে পদবি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।

এই পরিস্থিতিতে ভোটের ময়দানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও কমিশন দাবি করছে, এই ব্যবস্থার ফলে ভোট আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts