ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ সামরিক অভিযানের পর কার্যত বিপর্যস্ত ইরান। ওই অভিযানে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইর মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে। পাল্টা হামলায় জ্বলছে গোটা অঞ্চল। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার ঘটনা নতুন করে পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। এর পর থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছে, ইরানকে কঠোর জবাব দিতে এবার কি সেখানে পদাতিক সেনা নামাবে আমেরিকা (Donald Trump)?
এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) । তিনি (Donald Trump) সরাসরি স্থলসেনা পাঠানোর কথা না বললেও জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর কথায়, হয়তো তার প্রয়োজন পড়বে না। তবে প্রয়োজন হলে আমেরিকা পিছিয়ে থাকবে না বলেও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, অনেক প্রেসিডেন্ট সরাসরি বলেন যে সেনা নামানো হবে না। কিন্তু তিনি এমন কথা বলেন না। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন আছড়ে পড়েছে বলে সৌদি সূত্রে জানা গিয়েছে। দূতাবাসের একটি অংশে আগুন লাগার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়। সৌদি প্রশাসনের দাবি, ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর নেই। হামলার সময় ভোরবেলা হওয়ায় দূতাবাসে কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন না (Donald Trump)।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের হামলায় কয়েকজন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবরও সামনে এসেছে। যদিও এই নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে এই ঘটনার পর ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। কীভাবে জবাব দেওয়া হবে, তা সময়ই বলবে বলে তাঁর হুঁশিয়ারি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, আকাশপথে হামলার পর যদি স্থলসেনা নামানো হয়, তবে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এখন প্রশ্ন, কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুলবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্য আরও বড় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।













