Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • একুশে জুলাই ঘিরে বড় লড়াই! একই মঞ্চ চাইছে দুই তৃণমূল, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ
রাজ্য

একুশে জুলাই ঘিরে বড় লড়াই! একই মঞ্চ চাইছে দুই তৃণমূল, বাড়ল রাজনৈতিক উত্তাপ

mamata 2 edit
Email :2

একুশে জুলাই শহিদ দিবসকে (Shahid Diwas) ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। ধর্মতলায় শহিদ দিবস পালনের অনুমতি চেয়ে প্রথমে পুলিশের দ্বারস্থ হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। সেই আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একই দাবি জানিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন জমা দেয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির। একই দিনে শহিদ স্মরণ (Shahid Diwas) কর্মসূচির ঘোষণা করেছে প্রদেশ কংগ্রেসও। ফলে একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

শনিবার তপসিয়ায় এক প্রস্তুতি বৈঠক করেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল নেতারা। বৈঠকে একাধিক কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান জানান, ধর্মতলায় একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালনের জন্য কলকাতা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে (Shahid Diwas)। তাঁর দাবি, এতদিন শহিদ পরিবারের সদস্যদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এবার তাঁদের উপস্থিতিতেই প্রকৃত অর্থে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চায় তাঁদের দল।

এই প্রসঙ্গে কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, যারা বিধানসভায় পরিষদীয় দল গঠন করার মতো সংখ্যাও জোগাড় করতে পারেনি, তারা শহিদ দিবস পালনের দাবি করছে (Shahid Diwas)। তাঁদের মতে, এবার রাজনৈতিক প্রচারের পরিবর্তে শহিদ পরিবারের সদস্যদের মর্যাদা দেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল এবং তৃণমূলের ভাঙনের পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি কে করবে এবং কোথায় হবে। কয়েক দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, মাত্র কয়েক জন কর্মী থাকলেও তিনি ধর্মতলায় শহিদ দিবস পালন করবেন। সেই ঘোষণার পরই পুলিশের কাছে অনুমতির আবেদন জানায় তাঁর শিবির।

অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেসও এ বছর একুশে জুলাই শহিদ মিনারে আলাদা কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। কংগ্রেসের দাবি, তেত্রিশ বছর আগে যুব কংগ্রেস কর্মীদের উপর গুলিচালনার ঘটনাকে স্মরণ করতেই এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

তবে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি নিয়ে আইনি জটিলতাও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে। সেই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনুমতি মিলবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে এখন নজর পুলিশের সিদ্ধান্তের দিকে। শেষ পর্যন্ত ধর্মতলায় কার কর্মসূচির অনুমতি মিলবে, নাকি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন কোনও মোড় আসবে, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts