Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিজেপির বড় ব্যাখ্যা, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শমীক ভট্টাচার্য
রাজ্য

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বিজেপির বড় ব্যাখ্যা, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শমীক ভট্টাচার্য

saik
Email :2

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রস্তুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আইনটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তাঁর দাবি, দেশের সব নাগরিকের জন্য আইনের দৃষ্টিতে সমান অধিকার নিশ্চিত করতেই এই বিধির প্রয়োজন। তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সংবিধান স্বীকৃত তফসিলি জনজাতির সদস্যরা এই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন।

সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) জানান, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত তফসিলি জনজাতির নিজস্ব প্রথা, রীতি, সংস্কৃতি এবং বিশেষ অধিকার আগের মতোই বহাল থাকবে। তাঁদের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তার প্রতি সম্মান জানিয়েই এই শ্রেণিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আরও একটি আলোচনারও জবাব দিয়েছেন তিনি। শমীকের বক্তব্য, এই আইনের সঙ্গে সন্তান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কোনও সম্পর্ক নেই। কে কতজন সন্তানের জন্ম দেবেন, তা এই আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে না। এই ধরনের প্রচার সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বলেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বিজেপির দাবি, বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনে একাধিক বৈষম্য এবং ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং একসঙ্গে বসবাসের মতো বিষয়ে ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একই আইন প্রযোজ্য হবে। এর ফলে আইনি সমতা আরও শক্তিশালী হবে বলে দলের মত (Samik Bhattacharya)।

বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই সারা দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দলের বক্তব্য, একই দেশে নাগরিকদের জন্য আলাদা আলাদা ব্যক্তিগত আইন থাকা উচিত নয়। আইনের চোখে সবাই সমান—এই নীতিকেই আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

রাজ্যে সরকার গঠনের আগে নির্বাচনী ইস্তাহারেও বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকেই সরকার এগোচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য নতুন করে এই আইনকে ঘিরে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts