Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • ভিক্টোরিয়া হাউসে সকালেই চমক! ফিতে হাতে কুণালদের দেখে শুরু তুমুল রাজনৈতিক জল্পনা
রাজ্য

ভিক্টোরিয়া হাউসে সকালেই চমক! ফিতে হাতে কুণালদের দেখে শুরু তুমুল রাজনৈতিক জল্পনা

shahid diwas edit
Email :2

একুশে জুলাইয়ের সভাকে (Shahid Diwas) ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এখনও প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমতি মেলেনি। তার আগেই রবিবার সকালে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ফিতে নিয়ে হাজির হন কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং তাঁদের সহযোগীরা। রাস্তায় দাঁড়িয়েই শুরু হয় সম্ভাব্য সভাস্থলের মাপজোক। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

সূত্রের খবর, গত কয়েক বছর ধরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই একুশে জুলাইয়ের (Shahid Diwas) সভা হয়ে এসেছে। এবার দলের অন্দরে আলাদা শিবির তৈরি হওয়ায় একই জায়গায় সভা করার দাবি তুলেছে দুই পক্ষই। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে অনুমতির আবেদন করেছে। অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরও একই স্থানে সভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সাধারণত প্রশাসনের অনুমতি পাওয়ার পরেই সভাস্থলের মাপজোক শুরু হয় (Shahid Diwas)। কিন্তু এবার সেই নিয়মের আগেই কুণাল ঘোষদের এই পদক্ষেপ ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিপক্ষের উপর মানসিক চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে।

কুণাল ঘোষ বলেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে পালিত হয়। সেই কর্মসূচি নিয়ম মেনেই আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের আবেদন যথাযথভাবে জমা পড়েছে এবং অনুমতি মিলবে বলেই তাঁরা আশাবাদী (Shahid Diwas)।

অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরও একই জায়গায় সভার অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ঋতব্রত জানিয়েছেন, যেখানে অনুমতি মিলবে সেখানেই একুশে জুলাই পালন করা হবে। প্রয়োজনে অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়েও কর্মসূচি হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।

সাংসদ মহুয়া মৈত্রও জানিয়েছেন, একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি হবেই। কোথায় অনুমতি মিলবে, তা প্রশাসনই ঠিক করবে। অন্যদিকে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, আগে ঠিক হোক কোন পক্ষ প্রকৃত তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করছে, তারপর প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে কারা সভার অনুমতি পাবে।

একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল নিয়ে দুই পক্ষের এই টানাপোড়েন এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন কাকে অনুমতি দেয়, তার দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts