চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইঞা (Manas Bhunia)। সোমবার কলকাতা হাই কোর্টে মামলার শুনানির পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাস জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে মানস ভুঁইঞা-সহ অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি সবংয়ের বাইরে যেতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সবং থানায় বিকাশ কুমার টুং নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, মানস ভুঁইঞার (Manas Bhunia) মধ্যস্থতায় কয়েকজনের মাধ্যমে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে একটি বেসরকারি সংস্থার অধীনে কাজে যোগ দিলেও মাত্র দু’মাসের মধ্যে চাকরি বাতিল করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, চাকরি বাতিলের নির্দেশও বার্তার মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে সবং থানার পুলিশ প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে। তদন্তের স্বার্থে মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠানো হয় এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এরপর তিনি প্রথমে মেদিনীপুর জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। পরে তিনি (Manas Bhunia) কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন।
সোমবার সেই মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট মানস ভুঁইঞাকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, তদন্তে কোনও রকম অসহযোগিতা করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আদালতে রিপোর্ট পেশ করা হতে পারে।











