সেবাশ্রয়ে (Sebashray) ভুল চিকিৎসার অভিযোগে একটি পা হারানোর ঘটনার পর নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসিন্দা মালতী বিশ্বাস। সোমবার তাঁর স্বামী ও ছেলে স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ফোনে মালতী বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেছেন। এরই মধ্যে কালীঘাট তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে নতুন অভিযোগ সামনে আনলেন তিনি।
মালতী বিশ্বাসের দাবি, সেবাশ্রয়ে (Sebashray) ভুল চিকিৎসার বিষয়টি জানাতে তাঁর ছেলে ক্যামাক স্ট্রিটে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করা। কিন্তু সেখানে উপস্থিত আপ্তসহায়কেরা তাঁকে ভিতরে যেতে দেননি। তাঁদের নাকি বলা হয়, ‘বস ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সময় দেন না।’ এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আক্রার বাসিন্দা মালতী বিশ্বাস হাঁটুর ব্যথার চিকিৎসার জন্য সেবাশ্রয়(Sebashray) শিবিরে গিয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষা করে তাঁকে কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। অভিযোগ, সেই ওষুধ খাওয়ার পর ব্যথা আরও বেড়ে যায়। পরে আবার সেবাশ্রয়ে (Sebashray) গেলে তাঁকে এম আর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে এবং পরে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, একের পর এক হাসপাতালে পাঠানোর মধ্যে সময় নষ্ট হওয়ায় তাঁর পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করে একটি পা কেটে বাদ দিতে হয়।
রাজ্যে সরকার বদলের পর মালতী বিশ্বাসের পরিবার রবীন্দ্রনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এরপর বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তর পর্যন্ত পৌঁছয়। সোমবার সমস্ত নথি নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে যান মালতী বিশ্বাসের স্বামী ও ছেলে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার পর বহুবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেবাশ্রয় শিবিরের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা কোনও গুরুত্ব দেননি।













