বাংলায় ধৃত হামিম মণ্ডলকে (Jaish Terrorist) জিজ্ঞাসাবাদ করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে একটি বিস্তৃত যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই গোটা নেটওয়ার্কের খোঁজ চালানো হচ্ছে।
তদন্তকারী সূত্রের দাবি, ঝাড়খণ্ডের এক বাঙালি তরুণীর সঙ্গে হামিমের নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ ছিল। ওই তরুণীকে ব্যবহার করে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
শুক্রবার সকালে বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিম মণ্ডলকে (Jaish Terrorist) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। আদালতে পেশ করার পর তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যও পরীক্ষা করা হচ্ছে (Jaish Terrorist)।
প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিমের পরিবারের (Jaish Terrorist) আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর এলাকায়। বহু বছর আগে তার পরিবার হাওড়ায় চলে যায়। কয়েক মাস আগে তারা বর্ধমানের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতে শুরু করে। প্রতিবেশীদের দাবি, হামিম ও তার পরিবারকে দেখে কখনও সন্দেহ হয়নি। গ্রেফতারের পরেই তাঁরা পুরো বিষয়টি জানতে পারেন।
তদন্ত এখনও চলছে। হামিমের (Jaish Terrorist) যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে তদন্তকারী সংস্থা। এখন পর্যন্ত তদন্তে উঠে আসা বেশ কয়েকটি তথ্য সরকারি ভাবে চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তাই পুরো ঘটনার সত্যতা জানতে তদন্ত শেষ হওয়ার অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা।










