অবৈধ জমি দখল ও আর্থিক অনিয়মের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের (Shantanu Sinha Biswas) বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখানে একাধিক গুরুতর অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডির দাবি, কালীঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক থাকাকালীন তাঁর দপ্তরই বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল (Shantanu Sinha Biswas)।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়িত্ব পালন করার সময় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের (Shantanu Sinha Biswas) কাজের ধরন স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কালীঘাট থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। তদন্তকারীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতেন তিনি। এমনকি থানার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষে সাধারণ পুলিশকর্মীদের প্রবেশেও অলিখিত নিষেধাজ্ঞা ছিল বলে অভিযোগ।
ইডির দাবি, তদন্তে এক পুলিশ আধিকারিকের (Shantanu Sinha Biswas) বয়ানে উঠে এসেছে, কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানাতেই একাধিক বৈঠক হয়েছিল। ওই বয়ান অনুযায়ী, তাঁদের গুরুত্ব অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ পুলিশকর্মীদের থেকেও বেশি ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত আরও এগিয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।
চার্জশিটে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশের বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও রদবদল নিয়েও শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের প্রভাব ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন অনুমোদন ও স্মারক প্রকাশের নামে বিভিন্ন থানা থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও তোলা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাঁচ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন অঙ্কে অর্থ সংগ্রহ করা হত। এই অর্থ নগদ ও চেক—দুই ভাবেই নেওয়া হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে (Shantanu Sinha Biswas)।
উল্লেখ্য, এগুলি তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে উল্লিখিত অভিযোগ। মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলছে এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় এখনও প্রকাশিত হয়নি।












