তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় রাজনৈতিক চমক মিলল সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইকের (Rajyasabha)। বৃহস্পতিবার রাতেই বিজেপি তিনটি রাজ্যসভা আসনের জন্য তাঁদের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিকেলে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁদের রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাতেই সেই জল্পনায় সিলমোহর দেয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব (Rajyasabha)।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলে ভাঙন শুরু হলে সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন। সুখেন্দুশেখর রায় এবং প্রকাশ চিক বরাইকের সাংসদ পদে মেয়াদ ছিল দুই হাজার উনত্রিশ সাল পর্যন্ত। সুস্মিতা দেবের মেয়াদ ছিল দুই হাজার তিরিশ সাল পর্যন্ত। তাঁদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়া তিনটি আসনে আগামী চব্বিশ জুলাই নির্বাচন হবে (Rajyasabha)।
বর্তমান বিধানসভার সংখ্যার হিসাবে এই তিনটি আসনেই বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, এই আসনগুলিতে তৃণমূলের প্রার্থী দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক আবারও রাজ্যসভায় ফিরতে চলেছেন, তবে এবার বিজেপির প্রার্থী হিসেবে (Rajyasabha)।
বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগদানের সময় সাংবাদিকরা রাজ্যসভার সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শুধু বলেছিলেন, “চর্চা চলুক।” কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ইঙ্গিত বাস্তবে পরিণত হয়। বিজেপির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর স্পষ্ট হয়েছে, বাংলার রাজনীতিতে দলবদলের পর এটাই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।













