বাঘাযতীন-রানিকুঠি অটো রুটে পারমিটকে কেন্দ্র করে দুই অটো (RaniKuthi auto) ইউনিয়নের বিরোধ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। রবিবার পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে রুটে প্রায় আড়াইশো অটো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর জেরে ভোগান্তিতে পড়েন বহু নিত্যযাত্রী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাক্কাধাক্কি, মারধর এবং রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর ভূমিকাকে ঘিরেও উঠেছে একাধিক অভিযোগ (RaniKuthi auto) ।
একটি অটোকে রুট পারমিট ছাড়াই চালানোর অভিযোগ তুলে আপত্তি জানায় একটি ইউনিয়ন। অভিযোগ, নিয়ম না মেনে ওই অটো চলাচল করছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হতেই উত্তেজনা বাড়ে। পরে বিষয়টি স্থানীয় বিধায়কের নজরে আনা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে (RaniKuthi auto) ।
অন্যদিকে বিরোধী ইউনিয়নের দাবি, ওই চালক একজন প্রবীণ ব্যক্তি এবং তাঁকে অটো চালানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য বিধায়ক লিখিত সুপারিশ করেছিলেন। সেই সুপারিশ নিয়ে তিনি রুটে এলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বচসা, ধাক্কাধাক্কি এবং মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েও বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে (RaniKuthi auto) ।
আহত এক অটোচালকের অভিযোগ, আচমকাই কয়েকটি মোটরবাইকে একদল লোক এসে অটো চলাচল বন্ধ করার কথা বলে। এরপর এক প্রবীণ ব্যক্তিকে মারধর করা হয় এবং তাঁকেও অটোর পিছনে ফেলে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে এক ইউনিয়নের সদস্যের দাবি, রুট পারমিট ছাড়া কোনও গাড়ি চলতে পারে না। সেই নিয়ম ভাঙার প্রতিবাদ করতেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। আবার অপর পক্ষের বক্তব্য, প্রবীণ চালককে অটো চালাতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। বিধায়কের সুপারিশপত্র নিয়ে তিনি রাস্তায় নামতেই তাঁকে এবং বিধায়ককে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার জেরে বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে দীর্ঘ সময় অটো পরিষেবা ব্যাহত হয়। নিত্যযাত্রীরা চরম সমস্যায় পড়েন। পারমিট বিতর্ক এবং দুই ইউনিয়নের সংঘর্ষের জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।











