অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের খরচ নিয়ে তদন্তে নেমে একাধিক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, এই অভিযোগ যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে ঘটনার শেষ পর্যন্ত তদন্ত হওয়া উচিত এবং সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে আনা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার শহরের পাঁচটি জায়গায় তল্লাশি চালায় তদন্তকারী সংস্থা। রাধাবাজারে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিস এবং সংস্থার কর্তার বাড়িতেও তল্লাশি হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সংগৃহীত নথিতে কয়েক বছরের আর্থিক লেনদেনের একাধিক তথ্য মিলেছে (Kunal Ghosh)।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, দুই হাজার তেইশ সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের জুন পর্যন্ত তৃণমূলের দলীয় অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে (Kunal Ghosh)। অভিযোগ, ওই অর্থের একটি বড় অংশ ব্যবহার করে একটি বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার কেনা হয়। পরে সেই উড়ান পরিষেবাই ভাড়ার বিনিময়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ। এই সমস্ত আর্থিক লেনদেনের প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, বিদেশে অর্থ লেনদেন এবং আর্থিক উৎস গোপনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটি বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে ঋণ দেখিয়ে আর্থিক লেনদেন করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে (Kunal Ghosh)।
এই ঘটনার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কুণাল ঘোষও বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে গোটা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













