ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে তার আগে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত সামনে রেখেছে আমেরিকা। একইসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের পক্ষ থেকেই বারবার আলোচনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই ফের বৈঠকে বসতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দুই দেশ আবার আলোচনায় বসতে পারে (Donald Trump)।
একটি বিদেশি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার আগে আমেরিকা (Donald Trump) মূলত দুটি বিষয়ে নিশ্চয়তা চাইছে। প্রথমত, হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে জাহাজ চলাচলের সুযোগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানের প্রতিনিধিদের হাতে চুক্তি চূড়ান্ত করার পূর্ণ ক্ষমতা থাকতে হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, যদি ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে তাদের জাহাজগুলিকেও সেখানে চলতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি তিনি চান, এই আলোচনার মাধ্যমেই কোনও স্থায়ী সমাধানের পথে এগোনো হোক।
আমেরিকার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদের এমন ক্ষমতা থাকতে হবে যাতে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সংগঠনের অনুমোদনও থাকতে হবে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। কারণ অতীতে বহুবার আলোচনা এগোলেও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে তা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে।
সূত্রের খবর, আগামী ষোলো এপ্রিল আবার আলোচনার টেবিলে বসতে পারে আমেরিকা ও ইরান। পাকিস্তানে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই দেশই এই আলোচনায় অংশ নিতে সম্মত হয়েছে।
এর আগে প্রথম বৈঠক সফল না হওয়ায় ইরানের উপর চাপ বাড়িয়েছে আমেরিকা। তারা জানিয়েছে, অবৈধভাবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে সেই জাহাজ আটক করা হবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় কড়া নজরদারির কথাও বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানও পালটা সতর্কবার্তা দিয়েছে। তাদের দাবি, যদি ইরানের বন্দর লক্ষ্য করে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে পারস্য উপসাগর ও আশপাশের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না। ফলে যুদ্ধবিরতির আবহ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে।










