Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • আর মাত্র একদিন! তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণে বড় পদক্ষেপ, নজর এখন নির্বাচন কমিশনে
রাজ্য

আর মাত্র একদিন! তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণে বড় পদক্ষেপ, নজর এখন নির্বাচন কমিশনে

rito mamata gyanesh
Email :2

আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। তারপরই শুরু হতে চলেছে তৃণমূলের (TMC) ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। দলের আসল নেতৃত্ব এবং প্রকৃত সাংগঠনিক পরিচয় নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবিরের মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তার শুনানির প্রাথমিক ধাপ শুরু হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ছয় জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নিজেদের দাবি সমর্থনকারী সমস্ত নথি ও লিখিত বক্তব্য জমা দিতে হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবিরের (TMC) হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে যাচ্ছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেবেন। এই পর্যায়ে আলাদা কোনও প্রতিনিধি দল পাঠানোর পরিকল্পনা নেই বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির কমিশনে সরাসরি উপস্থিত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয় (TMC)। তবে তারা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট নথি কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে।

দুই পক্ষ(TMC) ই ইতিমধ্যে আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশন জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখার পর উভয় পক্ষকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠাতে পারে। সেই শুনানিতে দুই শিবিরই নিজেদের আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকার সুযোগ পাবে। কমিশনের সিদ্ধান্তের উপরেই নির্ভর করবে কোন পক্ষকে দলের বৈধ নেতৃত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

এদিকে রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকেও (TMC)। সূত্রের খবর, আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন দলত্যাগ সংক্রান্ত একাধিক মামলায় সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সেই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূল থেকে বেরিয়ে আসা কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন কুড়ি জন সাংসদ এবং উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা থেকে নির্বাচিত ছয় জন সাংসদ। তাঁদের ভবিষ্যৎ স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপরেই নির্ভর করছে।

উল্লেখ্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে দলত্যাগী সাংসদরা আগেই দিল্লিতে গিয়ে লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ডেকে তাঁর বক্তব্য শোনেন স্পিকার। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর, নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়া এবং স্পিকারের সিদ্ধান্ত— এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের দিকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts