ধর্মতলায় আন্দোলন ঘিরে হিংসা (Dharmatala violance), ভাঙচুর এবং সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশ। এখনও পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কেউই পড়ুয়া নন। সকলেই অশান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন এবং ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন।
কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, তদন্তে উঠে এসেছে যে ধৃতরা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে হিংসায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে (Dharmatala violance)।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জোড়াসাঁকোর ইরফান খুরশিদ, আরশাদ আলি, মহম্মদ আলমগির, ইমরান আহমেদ ও খালিদ রেজা, তিলজলার মহম্মদ মইনউদ্দিন, বেনিয়াপুকুরের জমির আহমেদ, কড়েয়ার মহসিন খান ও দীপক ভৌমিক। এছাড়াও গার্ডেনরিচের মহম্মদ আজাদ এবং মেটিয়াব্রুজের মহম্মদ আফরোজকেও গ্রেফতার করা হয়েছে (Dharmatala violance)।
পুলিশ জানিয়েছে, মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। অন্ডালের দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয় (Dharmatala violance)।
ধৃত মহম্মদ আফরোজকে ঘিরে নতুন বিতর্কও শুরু হয়েছে। সমাজমাধ্যমে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের কয়েকজন নেতার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেই কারণে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে কলকাতা পুলিশকে পাঠানো ইমেলে সিপিজে জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ১১ জনের কেউই তাদের সংগঠনের সদস্য নন। ফলে আন্দোলনে ধৃতদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ধর্মতলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালীন আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মিছিলের মধ্যে ইট, বোতল, লাঠি এবং জুতো ছোড়া হয়। হামলায় আহত হন একাধিক পুলিশকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। গুরুতর জখম হন চিত্র সাংবাদিক দীপঙ্কর দাশগুপ্ত ও মাখন পাত্র। আহত হন সাংবাদিক সুমন মহাপাত্রও।
আহত সাংবাদিকদের হাসপাতালে দেখতে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।













