কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তেলেঙ্গানা হাই কোর্টে কিছুটা স্বস্তি মিললেও সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা আরও বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার শীর্ষ আদালতে দাঁড়িয়ে পবন খেরা প্রশ্ন তোলেন, তিনি কি সত্যিই একজন অপরাধী।
খেরার (Pawan Khera) আইনজীবী আদালতে জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আবেদন করেছিলেন। তা সত্ত্বেও যদি ন্যূনতম স্বস্তিও না দেওয়া হয়, তাহলে সেটি অন্যায় হবে। তাঁর বক্তব্য, এমন আচরণ করা হচ্ছে যেন তিনি খুব বড় কোনও অপরাধ করেছেন।
এদিকে আদালত খেরার (Pawan Khera) জমা দেওয়া নথি নিয়েও প্রশ্ন তোলে। অসম সরকারের পক্ষের আইনজীবী আগেই অভিযোগ করেছিলেন, খেরার দেওয়া আধার সংক্রান্ত নথিতে অসঙ্গতি রয়েছে। এক জায়গায় তাঁর নাম থাকলেও অন্য জায়গায় অন্য নম্বর দেখা যাচ্ছে, যা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। খেরা বলেন, তাড়াহুড়োতে ভুল নথি জমা পড়েছিল, এটি ইচ্ছাকৃত নয়। তবে আদালত জানতে চায়, কীভাবে এমন ভুলকে সামান্য বলা যায়।
খেরা (Pawan Khera) আরও জানান, তেলেঙ্গানায় মামলার সময় দ্রুততার কারণে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। পরে সঠিক নথি জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কেও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর বাড়িতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁর অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়াতে রাজি হয়নি। ফলে আইনি চাপে পড়েছেন এই কংগ্রেস নেতা।
উল্লেখ্য, অসমে ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন পবন খেরা। তাঁর দাবি ছিল, একাধিক দেশের পাসপোর্ট এবং বিদেশে সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করে অসমের মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা বলেন, কংগ্রেস মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। পরে এই মন্তব্যের ভিত্তিতে খেরার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং সেই সূত্রেই শুরু হয় এই আইনি লড়াই।










