আইপ্যাক মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে আবারও তীব্র সওয়াল করলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে এক ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট ধারা বা প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে (Supreme Court)।
আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর উপস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রয়োজন হলে খুব ছোট বিষয়েও হস্তক্ষেপ করা যায় (Supreme Court)।
তুষার মেহতা আদালতে বলেন, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। তাঁর মতে, যদি আদালত মনে করে যে এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ জরুরি, তাহলে কোনও বাধা থাকবে না। তিনি আরও দাবি করেন, কোনও সংস্থা হিসেবে ইডির নিজস্ব মৌলিক অধিকার না থাকলেও, সেই সংস্থার আধিকারিকরা যখন কাজ করেন, তখন তাঁদের অধিকার থাকে এবং তা রক্ষা করা জরুরি (Supreme Court)।
তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে বারবার বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে পুলিশ ব্যবহার করে তদন্তে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত বলেও দাবি করেন তিনি (Supreme Court)।
এর পর আদালতে সওয়াল করেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তি সরকারি দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর মৌলিক অধিকার হারিয়ে যায় না। ব্যক্তিগত ও সরকারি ভূমিকার ভিত্তিতে মৌলিক অধিকার আলাদা করা যায় না বলেই মত তাঁর।
শুনানির সময় সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারার প্রসঙ্গও ওঠে, যার মাধ্যমে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা যায়। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি পি কে মিশ্র মন্তব্য করেন, যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে এই ধরনের মামলায় আদালত ভরে যাবে।
এই পর্যন্তই এ দিনের শুনানি শেষ হয়। মামলাটি ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।











