আইপ্যাক সংস্থার কর্তা ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি (IPAC Case) নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, তাঁকে কয়লা পাচার মামলায় নয়, বরং প্রতারণার একটি নতুন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখায় এই মামলা দায়ের হয়েছিল। পরে তদন্তের দায়িত্ব নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা, এবং সেই সূত্রেই গ্রেফতার হন ভিনেশ।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর তিনি সংস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন (IPAC Case)। অভিযোগ, সেই সময় তিনি ল্যাপটপ ও মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ই-মেল মুছে ফেলার নির্দেশ দেন। এমনকি নিজের কাছেও থাকা বেশ কিছু তথ্য তিনি মুছে ফেলেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, প্রমাণ লোপাট করার উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, আইপ্যাক সংস্থার অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ভিনেশ (IPAC Case)। তাঁর সময়েই একটি বিশেষ পদ্ধতি চালু হয়, যেখানে সংস্থার কাজের অর্ধেক টাকা চেকের মাধ্যমে নেওয়া হত এবং বাকি অংশ নগদে আসত। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নগদ টাকার মধ্যে রাজনৈতিক দল থেকে আসা অর্থ এবং হিসাবের বাইরে থাকা টাকা ছিল। সেই টাকা পরে নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হত বলেও অভিযোগ।
এছাড়া তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট দুটি অর্থবর্ষে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে একটি বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রায় তেরো কোটির বেশি টাকা আসে। ওই সংস্থা কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান না হলেও, কোনও চুক্তি ছাড়াই এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ (IPAC Case)। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই পথেই হাওলা মারফত টাকা ঢুকেছিল।
এখানেই শেষ নয়, তল্লাশির সময় যে নথি উদ্ধার হয়েছে, তার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে পাওয়া নথির মিলও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। ফলে পুরো বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।











