মাতলা নদীর চর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়। ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের (Paresh Ram Das) বিরুদ্ধে নদীর চর বিক্রি এবং সেখানে একাধিক নির্মাণ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, নদীর চরে দোকান বসানোর জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম এবং বিশ্রামাগারও তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে দাবি, মাতলা নদীর চর এলাকায় গত কয়েক বছরে একাধিক নির্মাণ গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, নদীর জমিতে বেআইনিভাবে দোকান এবং অন্যান্য স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, ওই এলাকায় জমি বা দোকানের জায়গা পেতে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়েছে (Paresh Ram Das)।
এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের সদস্য ওই এলাকায় বাড়ি তৈরি করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, বাড়ি তৈরির জন্য কাউকে কোনও টাকা দিতে হয়নি। অন্যদিকে, এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার বক্তব্য, নদীর চরের জমি ব্যবহার করতে গেলে কাঠাপিছু প্রায় দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নদীর সরকারি জমি বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়েছে (Paresh Ram Das)।
বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বৃদ্ধাশ্রমের নামে তৈরি হওয়া কিছু নির্মাণের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ঘোষিত উদ্দেশ্যের বাইরে অন্য কাজেও সেই জায়গা ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিধায়ক পরেশরাম দাসের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মাতলা নদীর চর দখল এবং নির্মাণ নিয়ে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রশাসনের তরফে কোনও তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় মহলে বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।













