Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • সকালে নির্মল, রাতে সঞ্জীব! তিলোত্তমার দেহ সৎকার মামলায় পর পর গ্রেফতার, কোথায় সোমনাথ?
রাজ্য

সকালে নির্মল, রাতে সঞ্জীব! তিলোত্তমার দেহ সৎকার মামলায় পর পর গ্রেফতার, কোথায় সোমনাথ?

rg kar sanjeeb
Email :4

তিলোত্তমার মৃত্যুর পর দ্রুত দেহ সৎকারের অভিযোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৎপর পুলিশ। সকালে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেফতারের পর রাতে গ্রেফতার করা হল প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে (Sanjib Mukherjee)। খড়দহ থানার পুলিশ পানিহাটির অম্বিকা মুখোপাধ্যায় রোডের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

তিলোত্তমার বাবা যে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তাতে নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি সোমনাথ দে-র নামও ছিল। নির্মল ও সঞ্জীব গ্রেফতার হলেও সোমনাথের এখনও কোনও সন্ধান মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।

সঞ্জীবের বাড়ি তিলোত্তমার বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবে গত কয়েক দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না বলে পরিচারিকার দাবি। তিনি কাজের সূত্রে বাইরে রয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন পরিচারিকা (Sanjib Mukherjee)।

এর পর সংবাদমাধ্যমের তরফে সঞ্জীবের (Sanjib Mukherjee) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কাজের জন্য বাইরে রয়েছেন। খুব শীঘ্রই ফিরে আসবেন এবং নিজেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করার কথাও জানান। কিন্তু সেই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর গ্রেফতারির খবর সামনে আসে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে নিজের বাড়ি থেকেই সঞ্জীবকে (Sanjib Mukherjee) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। তিলোত্তমার মৃত্যুর পর দেহ দ্রুত সৎকারের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

সঞ্জীবের (Sanjib Mukherjee) বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা, পরিবারের সদস্যদের ভুল পথে পরিচালিত করা, দ্রুত দেহ সৎকার এবং জোর করে বাড়ি থেকে দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার মতো অভিযোগ রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

একই ঘটনায় নির্মল ঘোষকেও বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দু’টি গ্রেফতারিকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন তদন্তকারীদের নজর তৃতীয় অভিযুক্ত সোমনাথ দে-র দিকে। তিনি কোথায় রয়েছেন এবং ঘটনার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।

পর পর দুই গ্রেফতারির পর তিলোত্তমার দেহ দ্রুত সৎকারের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত আরও কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts