প্রবল ছাত্র আন্দোলনের আবহে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পদত্যাগের পর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও ধর্মেন্দ্রর কাজের প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে, যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের একাংশ এই ঘটনাকে তাঁদের আন্দোলনের বড় সাফল্য বলে দাবি করেছেন।
কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সমাজমাধ্যমে লেখেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ধর্মেন্দ্র প্রধান দীর্ঘদিন (Dharmendra Pradhan) নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। পড়ুয়াদের স্বার্থে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্মরণীয় বলেও মন্তব্য করেন রিজিজু। তাঁর কথায়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান ধারাবাহিকভাবে কাজ করে গিয়েছেন। ভবিষ্যতেও তিনি একই নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করবেন বলেই আশা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনও ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) প্রশংসা করে বার্তা দেন। তাঁর দাবি, জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেন নীতীন। একই সঙ্গে তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাশে থাকা হবে।
পদত্যাগের পর সমাজমাধ্যমে নিজের বক্তব্যও প্রকাশ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। সেখানে তিনি লেখেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ এবং স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থা তাঁর কাছে সবসময় অগ্রাধিকার পেয়েছে। নিজের দায়িত্ব পালনে কখনও পিছিয়ে যাননি বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে কিছু দেশবিরোধী শক্তি পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। সেই সুযোগ যাতে কেউ নিতে না পারে, সেই কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তাঁর দাবি।
তবে পদত্যাগের নেপথ্যের কারণ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এখনও জোর আলোচনা চলছে। কেন্দ্রের তরফে পরবর্তী শিক্ষামন্ত্রী কে হবেন, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।













