Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • সংঘাতের আবহেই দিল্লিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের জরুরি বৈঠক! পদত্যাগের দাবির মুখেই সপাট জবাব জ্ঞানেশ কুমারের!
দেশ

সংঘাতের আবহেই দিল্লিতে কমিশনের ফুল বেঞ্চের জরুরি বৈঠক! পদত্যাগের দাবির মুখেই সপাট জবাব জ্ঞানেশ কুমারের!

election commission full bench
Email :3

এসআইআর প্রক্রিয়া ও কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হতেই দিল্লিতে নজিরবিহীন পদক্ষেপে নামল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। শনিবার রাজধানী দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার এস এস সান্ধু এবং বিবেক জোশীকে নিয়ে বিকেল তিনটেয় জরুরি বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। দীর্ঘ আলোচনার পর বিরোধীদের তোলা সমস্ত অভিযোগ এবং অন্দরের গৃহযুদ্ধের গুঞ্জন নস্যাৎ করে একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিজ্ঞাপিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া, ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা বিতর্কিত চিঠি, ফর্ম ছয়ের নিয়মাবলি এবং ইসিআইনেট পোর্টাল সংক্রান্ত অভিযোগের একের পর এক স্পষ্ট জবাব দিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে কমিশন।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল যে গত ১০ মাসে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) অন্তত ১৪ বার আপত্তি তুলেছিলেন। তবে কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে অন্দরে কোনও ধরনের মতপার্থক্য ছিল না এবং ২০২৫ সালের জুন মাসে জারি করা মূল নির্দেশিকা ও সময়সূচি সর্বসম্মতভাবেই গৃহীত হয়েছিল, যা দেশের সর্বোচ্চ আদালতও বহাল রেখেছে। পাশাপাশি দুই কমিশনার (Election Commission) কর্তৃক ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা বিস্ফোরক চিঠি নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে কমিশন জানিয়েছে, সেই চিঠি নির্বাচন কমিশন বা প্রযুক্তিগত নীতির বিরুদ্ধে ছিল না বরং ডেপুটেশনে থাকা এক আধিকারিকের কাজের গাফিলতি সংক্রান্ত বিষয় ছিল। একইসঙ্গে নতুন ভোটার তালিকার ফর্ম ছয়ের ডিক্লারেশন ফর্মকেও সুপ্রিম কোর্ট বৈধতা দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পোর্টাল সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আইআইটি বা ট্রিপল আইটির একজন নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞকে অন্তর্ভুক্ত করে সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছে (Election Commission)। ভবিষ্যতে যে কোনও আইটি উদ্যোগ প্রথমে বিশেষজ্ঞ কমিটিতে বিবেচিত হয়ে তবেই কমিশনের কাছে অনুমোদনের জন্য যাবে। শুধু তাই নয়, অভ্যন্তরীণ কাজের স্বচ্ছতা বাড়াতে এখন থেকে প্রতিটি বৈঠকের নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা বা আলোচ্যসূচি আগেই সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে এবং বৈঠকের বিস্তারিত কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হবে। কমিশনারদের দেওয়া নির্দেশ আধিকারিকরা সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, সে বিষয়েও কড়া নজরদারির নির্দেশ জারি করেছে ফুল বেঞ্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts