মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া হামিম মণ্ডলকে (Jaish Terrorist) ঘিরে তদন্তে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের দাবি, পাকিস্তানভিত্তিক ‘শেহজাদ ভাট্টি’ গোষ্ঠীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বিদেশ থেকে আসা নির্দেশ অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হামিমকে। তার মোবাইল ও অনলাইন যোগাযোগ খতিয়ে দেখে একাধিক তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা (Jaish Terrorist) ।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হামিম (Jaish Terrorist) বিভিন্ন এনক্রিপটেড মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে কথাবার্তা চলত বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মাধ্যমের মাধ্যমে ধীরে ধীরে সে জঙ্গি মতাদর্শের প্রভাবে আসে বলেও তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। পাশাপাশি আরও কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, হামিম (Jaish Terrorist) কয়েকজন বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে অভিযোগ। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, রানা, উজায়ের-সহ একাধিক নামে পরিচিত হ্যান্ডলারের সঙ্গে তার যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। নিজেদের মধ্যে কোড ভাষায় বার্তা আদানপ্রদান করা হত বলেও তদন্তে জানা গিয়েছে। এই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোটা নেটওয়ার্কের খোঁজে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত এক দশকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা গিয়েছে, সোশ্যাল মাধ্যম ও এনক্রিপটেড যোগাযোগ ব্যবহার করে উগ্রপন্থী সংগঠনগুলি নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। অতীতে ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনও অনলাইন প্রচারের মাধ্যমে বহু যুবককে প্রভাবিত করেছিল। সেই কারণে বর্তমান তদন্তেও ডিজিটাল যোগাযোগের দিকটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে হামিমের মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং সমস্ত অভিযোগ আদালতে প্রমাণ সাপেক্ষ (Jaish Terrorist)।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হামিমের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার যোগাযোগের পরিধি, আর কারা এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং ঠিক কী ধরনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।













