Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • প্রেম থেকে পাকিস্তানি যোগাযোগ! হামিম–অর্পিতার বিরুদ্ধে উঠে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
রাজ্য

প্রেম থেকে পাকিস্তানি যোগাযোগ! হামিম–অর্পিতার বিরুদ্ধে উঠে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

arpita sarkar
Email :3

জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এনেছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তদন্তকারীদের দাবি, প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের (Arpita Sarkar) সঙ্গে হামিমের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে অর্পিতাও এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় বলে অভিযোগ তদন্তকারী সংস্থার।

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিম ও অর্পিতা (Arpita Sarkar) ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার এবং টেলিগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। মাঝে মধ্যেই তাঁদের দেখা-সাক্ষাৎও হত বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই সূত্র ধরেই প্রথমে অর্পিতাকে শনাক্ত করা হয়। পরে বর্ধমান থেকে হামিম এবং ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে অর্পিতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, হামিম ও অর্পিতার (Arpita Sarkar) সরাসরি যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে। ফোন এবং এনক্রিপটেড মাধ্যমে নিয়মিত নির্দেশ আদানপ্রদান হত বলেও দাবি করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব ভারতে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। সেই উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মাধ্যম ব্যবহার করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করার ছক কষা হয়েছিল বলেও অভিযোগ।

এসটিএফের দাবি, হামিমের দায়িত্ব ছিল সোশ্যাল মাধ্যমে যুবকদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা এবং ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী মতাদর্শে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা। তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, অর্পিতাকে ব্যবহার করে তথাকথিত ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে কয়েকজনকে টার্গেট করার পরিকল্পনাও ছিল। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে এবং আদালতে তা প্রমাণিত হয়নি।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁদের লক্ষ্যবস্তুদের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন। তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হত বলে অভিযোগ। পাশাপাশি এক মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যকেও টার্গেট করার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতে গত কয়েক বছরে একাধিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী তদন্তে দেখা গিয়েছে, সোশ্যাল মাধ্যম, এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও যোগাযোগ রক্ষা করার প্রবণতা বেড়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলির মতে, উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি অনেক সময় ব্যক্তিগত সম্পর্ক, ভুয়ো পরিচয় এবং অনলাইন বন্ধুত্বকে কাজে লাগিয়ে নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করে। বর্তমান মামলাতেও সেই দিকগুলি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিম ও অর্পিতার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে অভিযোগগুলি প্রমাণিত বলে ধরা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts