Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • রাজ্য
  • কলকাতার পর দিল্লিতেও বড় ধাক্কা! তৃণমূলের কার্যালয়ের দরজা বন্ধের জল্পনা তুঙ্গে
রাজ্য

কলকাতার পর দিল্লিতেও বড় ধাক্কা! তৃণমূলের কার্যালয়ের দরজা বন্ধের জল্পনা তুঙ্গে

partha bhowmik 1
Email :4

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন ক্রমশ বাড়ছে (TMC Office)। সংসদীয় ও পরিষদীয় দল নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার দিল্লিতে দলীয় কার্যালয় ব্যবহারের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে রাজধানীতে তৃণমূলের সংগঠন পরিচালনা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সূত্রের খবর, বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক বর্তমানে দলের বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, তিনি নাকি ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন যে দিল্লির একটি সরকারি বাসভবন আর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি (TMC Office)।

জানা গিয়েছে, রাজধানীর রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের একটি সরকারি বাসভবন দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল (TMC Office)। সংসদ ভবনের কাছাকাছি হওয়ায় দিল্লিতে দলের বিভিন্ন বৈঠক, সাংবাদিক সম্মেলন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত ছিল ওই ঠিকানা।

রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, সাংসদ হিসেবে সরকারি নিয়ম মেনে ওই বাসভবন বরাদ্দ পেয়েছিলেন পার্থ ভৌমিক। তিনি দিল্লিতে থাকলে অনেক সময় অন্যত্র অবস্থান করতেন এবং সেই সুযোগে দলীয় কর্মকাণ্ডের জন্য ওই বাড়িটি ব্যবহার করা হত। ফলে ধীরে ধীরে সেটি কার্যত তৃণমূলের দিল্লি (TMC Office) কার্যালয়ের রূপ নেয়।

তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে। দলের একাংশ নিজেদের অবস্থান বদল করায় নতুন করে নানা প্রশ্ন সামনে আসছে। বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়া নেতাদের মধ্যে পার্থ ভৌমিকের নামও আলোচনায় রয়েছে। সেই কারণেই দিল্লির ওই কার্যালয়ের ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

এদিকে রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে, ভবিষ্যতে দলীয় সম্পত্তি, কার্যালয় এবং সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে দ্রুত বদলাচ্ছে, তাতে দিল্লিতে তৃণমূলের সাংগঠনিক উপস্থিতি এবং দলীয় কার্যালয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts