Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • বর্ধমান থেকে দিল্লি, তারপর নৃশংস খুন! অধ্যাপিকা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
দেশ

বর্ধমান থেকে দিল্লি, তারপর নৃশংস খুন! অধ্যাপিকা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়

begali professor
Email :2

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে খুনের (Bengali professor Murder) অভিযোগে বর্ধমান থেকে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। ধৃতদের নাম রামপ্রসাদ দাস ও বনশ্রী দাস। ঘটনায় তাঁদের নাবালক সন্তানকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভ এলাকার একটি বহুতল আবাসন থেকে উদ্ধার হয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজি কলেজের অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের দেহ (Bengali professor Murder)। প্রথমে তাঁর দিদি দেবারতি পাল ফ্ল্যাটে গিয়ে বোনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন মুখ ঢাকা অবস্থায় কয়েকজন ব্যক্তি ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছিলেন। ফ্ল্যাটের দরজায় জোর করে ঢোকার কোনও চিহ্ন না থাকায় তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, খুনের ঘটনায় পরিচিত কেউ জড়িত থাকতে পারে।

সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্তরা একটি গাড়ি কিছু দূরে রেখে হেঁটে আবাসনের ভিতরে ঢুকেছিল। ঘটনার পর তারা পোশাক বদলে বেরিয়ে যায় এবং ব্যবহৃত পোশাক গাড়ির মধ্যেই ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা করে (Bengali professor Murder)।

একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ এবং শতাধিক সন্দেহভাজনকে যাচাই করার পর তদন্তের সূত্র পৌঁছয় বর্ধমানে। সেখান থেকে রামপ্রসাদ দাস ও বনশ্রী দাসকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, দেবস্মিতা পাল তাঁর দাদুর কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে একটি বাড়ি পেয়েছিলেন। সেই বাড়িতেই দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন ধৃত দম্পতি।

পুলিশের দাবি, ওই বাড়ি বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন দেবস্মিতা। সেই কারণে তিনি ভাড়াটিয়াদের বাড়ি খালি করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। কিন্তু অভিযুক্তরা বাড়ি ছাড়তে রাজি ছিলেন না। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই বিরোধ থেকেই খুনের পরিকল্পনা করা হয় (Bengali professor Murder)।

পুলিশের অভিযোগ, দেবস্মিতা একা থাকেন জানার সুযোগ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে খুন করা হয়। প্রথমে ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় এবং পরে তাঁর হাতের শিরা কেটে দেওয়া হয় বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

ধৃতদের বর্ধমান আদালতে তোলা হয়েছে। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁদের দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts