রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। তাম্রলিপ্ত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর এবং দলের জেলা সহ সভাপতি চঞ্চল খাঁড়াকে (TMC Leader) দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই দিনে গ্রেফতার করা হয়েছে বিধাননগর পুরনিগমের নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টুকেও। ফলে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (TMC Leader) ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় এগারোটা নাগাদ চঞ্চল খাঁড়াকে তাঁর বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর প্রায় দশ ঘণ্টা ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ (TMC Leader) । রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে তমলুক থানার পুলিশ। শুক্রবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার পর তমলুক জেলা আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় (TMC Leader) ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই চঞ্চল খাঁড়ার বিরুদ্ধে জমি দখল, ভয় দেখানো এবং প্রভাব খাটিয়ে বেআইনি কাজ করার অভিযোগ উঠছিল (TMC Leader) । থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও এতদিন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ার কারণেই তিনি এতদিন গ্রেফতার এড়িয়েছিলেন।
চঞ্চল খাঁড়ার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার সকালে তমলুক থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বহু মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা এবং চিকিৎসক পার্থসারথি মান্না বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ কিছু নেতার দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, জোর করে জমি দখল থেকে শুরু করে পার্টি অফিসে লোক ডেকে ভয় দেখানোর মতো কাজ চলত নিয়মিত। গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, বিধাননগর পুরনিগমের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এক বছর আগে এক প্রোমোটারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। সম্প্রতি সেই ঘটনায় নতুন মামলা দায়ের হয়। এরপর পুলিশ তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে এনে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পুরনো মামলাটিকেও নতুন তদন্তের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা, পালাবদলের পর প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।













