বনগাঁ উত্তরে আবারও জয় পেয়েছিলেন তিনি। এবার সেই জয়ের পর রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে শুভেন্দু অধিকারীর শপথের পর মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, মতুয়া ভোটব্যাঙ্কের দিকে নজর রেখেই অশোক কীর্তনিয়াকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দিয়েছে বিজেপি।
গত কয়েক বছর ধরে মতুয়া সমাজকে ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে জোর টানাপোড়েন চলছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে আগেই দায়িত্ব পেয়েছেন শান্তনু ঠাকুর। এবার মতুয়াদের আরও এক পরিচিত মুখ অশোক কীর্তনিয়াকে রাজ্যের মন্ত্রী করায় রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট বলেই মনে করা হচ্ছে (Ashok Kirtania)।
এসআইআর ইস্যুর সময় অশোক কীর্তনিয়ার (Ashok Kirtania) নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। সেই বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন বিতর্ক চলেছিল। বিজেপিও পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই অশোক কীর্তনিয়া আবারও বনগাঁ উত্তর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন।
এবারের নির্বাচনে তাঁর প্রচারকে ঘিরে একাধিকবার উত্তেজনার ঘটনাও সামনে আসে। বিজেপির অভিযোগ ছিল, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিল তৃণমূল। রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই ভোটের লড়াই জমে উঠেছিল বনগাঁ উত্তরে।
এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন বিশ্বজিৎ দাস এবং সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন পীযূষকান্তি সাহা। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় পান অশোক কীর্তনিয়া। তিনি মোট ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১৭ ভোট পান। তাঁর ভোটের হার ছিল ৫৬.৪৬ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস পান ৭৮ হাজার ৬৪৭ ভোট। সিপিএম প্রার্থী পান মাত্র ৮ হাজার ৫৫৪ ভোট।
শনিবার ব্রিগেডে রাজ্যপালের সামনে শপথ নেন অশোক কীর্তনিয়া। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন সরকারের পাঁচ মন্ত্রীর মধ্যে তিনিও অন্যতম। যদিও এখনও পর্যন্ত কোন মন্ত্রক তাঁর হাতে যাবে, তা ঘোষণা করা হয়নি।













