গভীর রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র (Strong Room)। ব্যালট বক্স আনা ও রাখা ঘিরে শুরু হয় তীব্র উত্তেজনা। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, যে ঘরে কোনো সিসিটিভি নজরদারি নেই, সেখানেই আটটি ব্যালট বক্স রাখা হয়েছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা, যার ফলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে স্ট্রংরুমে (Strong Room) ব্যালট বক্স আনা ঘিরে হঠাৎই উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, সিসিটিভি না থাকা ঘরে ব্যালট বক্স রাখা নিয়মবিরুদ্ধ। তাদের আরও দাবি ছিল, সকল প্রার্থীর উপস্থিতিতেই ব্যালট বক্স সরানো উচিত। অভিযোগ ওঠে, নজরদারি এড়িয়ে বক্স সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরই তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদে নামলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর মধ্যেই মধ্যরাতের পর শ্যামপুকুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী স্ট্রংরুম পরিদর্শনে আসেন। তিনি অভিযোগ (Strong Room) করেন, কয়েকজন তৃণমূল কর্মী তাঁকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান দেয় এবং পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লাইভ করে দাবি করেন, তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার-চেঁচামেচি ও গালিগালাজ করে। পুলিশ তাঁকে স্থান ত্যাগ করতে বললে তিনি আরও ক্ষুব্ধ হন বলে জানা যায়।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। ভোট গণনার আগেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হওয়ার পরের দিন, অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল রাতেও একই কেন্দ্র ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। তখন অভিযোগ ওঠে স্ট্রংরুমের ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখা গেছে। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধরনায় বসেন। অন্যদিকে বিজেপি কর্মীরাও পাল্টা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক ঘটনাস্থলে আসেন। ফলে সেই রাতেও দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।











