দ্বিতীয় দফার ভোটে দুপুর একটা পর্যন্ত রাজ্যের ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.১১ শতাংশ। বিভিন্ন জেলায় ভোটের হারে পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে (Bengal Election)।
নদিয়ায় দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৪১ শতাংশ, উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৫৯.২০ শতাংশ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ৫৮.৫৮ শতাংশ, কলকাতা দক্ষিণে ৫৭.৭৩ শতাংশ, কলকাতা উত্তরে ৬০.১৮ শতাংশ, হাওড়ায় ৬০.৬৮ শতাংশ এবং পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৮০ শতাংশ (Bengal Election)।
রাজ্যের মোট আসনের মধ্যে গলসি কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে (Bengal Election)। সেখানে ভোটের হার ৭০.৪৮ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়, সেখানে ভোটের হার ৫২.০৫ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোট পড়েছে ৫৪.১৩ শতাংশ এবং হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র ভবানীপুরে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোটের হার ৫৮.৫৩ শতাংশ (Bengal Election)।
কলকাতা শহরের মধ্যেও ভোটের হারে পার্থক্য দেখা গেছে। উত্তর কলকাতায় ভোট পড়েছে ৬০.১৮ শতাংশ, দক্ষিণ কলকাতায় ৫৭.৭৩ শতাংশ। মানিকতলায় ভোটের হার ৬২.২৯ শতাংশ এবং কলকাতা বন্দরে ৫৬.৮৯ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোট চলছে। দুপুর পর্যন্ত বেশিরভাগ জায়গায় বড় ধরনের অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি, যদিও কয়েকটি জায়গায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। মোট ভোটারের সংখ্যা এই দফায় ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯ জন।
এই দফার সবচেয়ে নজরকাড়া কেন্দ্র ভবানীপুর, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মাঠে নামিয়েছে।
তৃণমূল, বিজেপির পাশাপাশি বাম জোট ও আইএসএফও বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভাঙড় থেকে আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি লড়ছেন এবং ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্র থেকে আরাবুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।













