ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তেজনায় ফুটছিল ভবানীপুর (Bhabanipur) এলাকা। সকাল থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী আলাদা আলাদা বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রায় পৌনে বারোটার সময় শুভেন্দু অধিকারী জয় হিন্দ ভবনে পৌঁছন, আর তখনই এলাকায় উত্তেজনা চরমে ওঠে।
শুভেন্দুকে (Bhabanipur) ঘিরে সঙ্গে সঙ্গে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুরু হয়। পাল্টা শোনা যায় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও। দুই পক্ষের কয়েকশো সমর্থক সেখানে জড়ো হয়ে পড়ে, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা উপস্থিত থাকলেও প্রথমে পরিস্থিতি সামলাতে সমস্যায় পড়েন তাঁরা।
এই অবস্থায় শুভেন্দু অধিকারী নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে ভিডিও করেন এবং সরাসরি ফোনে অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, তার উপর হামলা হয়েছে এবং যাঁরা বিক্ষোভ করছেন তাঁরা বহিরাগত। তিনি বুথ নম্বর উল্লেখ করে পরিস্থিতির কথা জানান (Bhabanipur)।
এর কিছুক্ষণ পর সেখানে পৌঁছে যান কাউন্সিলর কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শুভেন্দু কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এসে অযথা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছেন। তাঁর দাবি, ভোটের লাইনে থাকা মানুষরাই পরে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে।
প্রায় দশ মিনিটের মধ্যেই সেখানে অতিরিক্ত বাহিনী পৌঁছে যায়। এরপর কালীঘাট এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয় বলে জানা যায়। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুরে ভোটের দিন চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।












