জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারতের সামরিক অভিযানে বড় ধাক্কা খেয়েছিল পাকিস্তান। সেই অভিযানে সীমান্ত পেরিয়ে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়। এরপর পালটা উত্তেজনা বাড়তেই পাকিস্তানের সামরিক ঘাঁটিগুলিও হামলার মুখে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল নূর খান বায়ুসেনা ঘাঁটি (Nur Khan Airbase)।
এই ঘাঁটিটি পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। রাজধানীর কাছাকাছি হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বও অনেক বেশি। হামলার পর প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছিল, ঘাঁটির রানওয়েতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে (Nur Khan Airbase)।
পরবর্তীতে সেই ঘাঁটি মেরামত করা হলেও নতুন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক উপগ্রহ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেখানে একাধিক শক্তপোক্ত কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের নির্মাণ বিমান ও সামরিক সরঞ্জামকে সুরক্ষিত রাখার জন্য করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে হামলার ক্ষতি কমানো যায় (Nur Khan Airbase)।
এই পরিবর্তন দেখে অনেকেরই মত, পাকিস্তান এখন আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগের অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে তারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করছে।
সাম্প্রতিক এই প্রস্তুতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, সীমান্তের উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি কমেনি। পরিস্থিতি আপাতত শান্ত থাকলেও দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস ও সতর্কতা বজায় রয়েছে।











