মোথাবাড়ির ঘটনাকে (Mothabari incident) ঘিরে উত্তেজনা বাড়তেই প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে আইএসএফের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গোলাম রব্বানিকে। জানা গিয়েছে, এর আগে ধৃত মিম সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামের জেরা থেকেই তাঁর নাম সামনে আসে।
তদন্তকারীদের দাবি, গোলাম রব্বানিকে জেরা করলে এই ঘটনার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে (Mothabari incident)। তাঁকে কলকাতায় এনে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে এই ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন স্থানীয় কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী। রবিবার সকালে তাঁকে এবং তাঁর কয়েকজন কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে খবর (Mothabari incident)। সেই সময় তিনি এলাকায় ভোট প্রচার করছিলেন।
গত মাসের শুরুতে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের একটি বিডিও অফিসে রাতভর আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে (Mothabari incident)। প্রথমে এটিকে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বলা হলেও পরে অভিযোগ ওঠে, এর পিছনে সংগঠিত উসকানি ছিল।
তদন্তে নেমে একাধিক রাজনৈতিক সংগঠনের যোগের কথা উঠে আসে। এর আগে মিম সদস্য মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশ। অভিযোগ, ঘটনার দিন তিনি জনতাকে উত্তেজিত করেছিলেন এবং বিক্ষোভে উসকানি দিয়েছিলেন।
তাঁর জেরা থেকেই গোলাম রব্বানির নাম সামনে আসে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারে। তাই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জেরা করার প্রস্তুতি চলছে।
মোথাবাড়ির এই ঘটনা নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত এগোলে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












