গুজরাটের দ্বারকা জেলায় এক তরুণকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, টাকার বিবাদকে কেন্দ্র করে নিজের বন্ধুকেই হ্রদে ঠেলে ফেলে পাথর ছুড়ে হত্যা করে অভিযুক্ত (Murder)। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে সে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত রামনারেশ সাকেতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (Murder)।
মৃত যুবকের নাম সন্তোষ গওয়ালা। তাঁর বয়স ছিল বাইশ বছর। তিনি উত্তর প্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং একটি বেসরকারি সংস্থায় গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করতেন (Murder)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে সন্তোষের দাদাকে ফোন করে রামনারেশ জানায়, সন্তোষ নাকি আর দ্বারকায় কাজ করতে চাইছেন না এবং অন্য কাজ খুঁজছেন। পরে আবার ফোন করে সে বলে, দু’জনে হ্রদের ধারে হাঁটতে গিয়েছিল। সেই সময় আচমকা সন্তোষ জলে ঝাঁপ দেয় এবং তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি (Murder)।
এই কথায় সন্দেহ হয় সন্তোষের দাদার। তিনি রাজকোট থেকে দ্বারকায় এসে অভিযুক্তকে প্রশ্ন করেন। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন (Murder)।
পরে জেরায় ভেঙে পড়ে রামনারেশ। সে স্বীকার করে, হ্রদের ধারে বসে খাওয়াদাওয়ার সময় টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সেই রাগের মাথায় সে সন্তোষকে জলে ঠেলে ফেলে এবং পরে পাথর ছুড়ে আঘাত করে।
পুলিশের দাবি, এর আগেও টাকার বিষয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে একাধিকবার ঝামেলা হয়েছিল। সেই বিবাদই শেষ পর্যন্ত খুনের ঘটনায় পরিণত হয়।
পরে দমকলের কর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর হ্রদ থেকে সন্তোষের দেহ উদ্ধার করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে এবং পরে গ্রেপ্তার দেখায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।













