পশ্চিম এশিয়ায় চলা উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। আমেরিকার এক চিকিৎসক প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ট্রাম্পের আচরণে গুরুতর মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন চিকিৎসক ডক্টর বিন গুপ্তা, যিনি নিজেকে এক জন সিনিয়র মেডিক্যাল বিশ্লেষক হিসেবে পরিচয় দেন, সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের (Donald Trump) মধ্যে ডিমেনশিয়ার একাধিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, ট্রাম্পের আচরণে অস্থিরতা, বিভ্রান্তি, অসম্পূর্ণ বাক্য বলা, অযৌক্তিক চিন্তাধারা এবং সঠিক শব্দ খুঁজে পেতে অসুবিধার মতো সমস্যা স্পষ্ট।
ডক্টর গুপ্তা আরও বলেন, এই ধরনের লক্ষণ হঠাৎ নয়, ধীরে ধীরে বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের (Donald Trump) সাম্প্রতিক আচরণ সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে। বিশেষ করে ইস্টারের সময় ট্রাম্পের কিছু অদ্ভুত সমাজমাধ্যম পোস্টের পরই এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ওই সময় ট্রাম্প একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ইরানে বড় আক্রমণ হতে পারে এবং এমন ঘটনা আগে কখনও দেখা যায়নি। এই ধরনের মন্তব্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসক। তাঁর মতে, এগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড় কোনও সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, এগুলি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র। তারা জানিয়েছে, ট্রাম্পের (Donald Trump) স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যগুলি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন তিনি ইরানকে নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শর্ত না মানলে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। সেই মন্তব্য ঘিরেও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের মন্তব্য ও তার পরের প্রতিক্রিয়া এখন নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, প্রশাসনের তরফে তা বারবার অস্বীকার করা হচ্ছে।











