পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহেও ভারতের জ্বালানি সরবরাহে (Crude Oil) কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি জানান, গুরুতর পরিস্থিতিতেও ভারত হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে বিকল্প পথে ৪০টি দেশ থেকে তেল সংগ্রহ করছে। গোটা বিশ্বের ২০-২৫ শতাংশ তেল বাণিজ্য হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে হয়। যুদ্ধের কারণে ইরান এই খাঁড়ি বন্ধ করে দিয়েছে এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না (Crude Oil)।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মতে, অন্যান্য দেশে জ্বালানি সংকট থাকলেও ভারতে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক (Crude Oil)। ভারতের চাহিদার ৬০ শতাংশ তেল আসে বিকল্প পথ ধরে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সরকারিভাবে জানা গেছে, রাশিয়া থেকে তেল আসে সবচেয়ে বেশি (Crude Oil)। এছাড়া আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, আলজেরিয়া, ব্রাজিল, ব্রুনেই, কানাডা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মিশর, ঘানা, গ্রিস, ইরাক, ইজরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, ওমান, পানামা, কাতার, সেনেগাল, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল সংগ্রহ করা হচ্ছে (Crude Oil)।
পূর্বেই ‘প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো’-র মাধ্যমে জানানো হয়েছিল, ভারতের তৈল আমদানির দেশসংখ্যা ২৭ থেকে বেড়ে এখন ৪০। এছাড়া রাশিয়া থেকে তেলের আমদানিও ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। এর ফলে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালী ছাড়াই দেশে পৌঁছাবে। কেন্দ্রীয় সরকার হরমুজকে এড়িয়ে দেশের চাহিদা পূরণে তৎপর।












