দোলের সকালেই ভোটের হটস্পট ভবানীপুরে জনসংযোগে নামলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাতে গোপালের মূর্তি, গায়ে গেরুয়া পোশাক। সঙ্গে ছিলেন বহু দলীয় কর্মী ও সমর্থক। শোভাযাত্রার আকারে তিনি ভবানীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। মিছিল শেষে রাধা-মাধব মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেন তিনি (Suvendu Adhikari)।
এসআইআর পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই ভবানীপুর নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চর্চা তুঙ্গে। খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা মিলিয়ে এই কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তা নিয়েও রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। এই আবহেই শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দোলের মিছিল নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এদিন মূলত ভবানীপুরের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে বেশি সময় কাটান শুভেন্দু। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন। তাঁর এই কর্মসূচি যে আসন্ন ভোটকে মাথায় রেখেই, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে (Suvendu Adhikari)।
অন্যদিকে ভবানীপুর জয়ের ব্যাপারে বরাবরের মতো আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিন আগেই তিনি বলেন, এক ভোটেও হোক, ভবানীপুর থেকে তিনি জিতবেনই। বিরোধী শিবিরের দাবি, ভবানীপুরে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। শুভেন্দু আগেও বহুবার বলেছেন, নন্দীগ্রামের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরে।
মমতার মন্তব্যের পাল্টা কটাক্ষ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ভবানীপুরে তাকালেই বিরোধীদের চোখ ঝলসে যাবে। রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই প্রশ্ন, শেষ হাসি কে হাসবে? দোলের সকাল থেকেই ভবানীপুরে যে ভোটের উত্তাপ চরমে উঠেছে, তা বলাই যায়।










