Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • শাসন বদলের ইঙ্গিত! ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বই কি ছিল হামলার আসল লক্ষ্য
বিদেশ

শাসন বদলের ইঙ্গিত! ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বই কি ছিল হামলার আসল লক্ষ্য

trump and khamenei 2
Email :3

ইরানে (Iran) আমেরিকা ও ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার লক্ষ্য নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। অনেকের মতে, এই আঘাতের মূল উদ্দেশ্য শুধু সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা নয়, বরং তেহরানের (Iran) শীর্ষ নেতৃত্বকে দুর্বল করে শাসন পরিবর্তনের পথ তৈরি করা। যদিও সরাসরি শাসন বদলের কথা বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, তবু তাঁদের বক্তব্যে সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।

প্রথম দফার হামলায় ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর দপ্তরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় বলে খবর। পাশাপাশি আক্রমণ করা হয় বিশেষজ্ঞ পরিষদের কার্যালয়েও, যারা দেশের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে। তবে এখনও পর্যন্ত খামেনেই কোথায় আছেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি ইরান। একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় তিনি তেহরানে ছিলেন না, আগেই তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

ইরানের (Iran) প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বাসভবনও লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি। এছাড়া ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডস কর্পসের সদর দপ্তরেও আঘাত হানা হয়। যদিও কোনও শীর্ষ নেতার মৃত্যুর খবর এখনও নিশ্চিত হয়নি।

গত বছর জুন মাসে আমেরিকা যখন ইরানে (Iran) হামলা চালিয়েছিল, তখন লক্ষ্য ছিল ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনা। কিন্তু এবার আঘাত করা হয়েছে নেতৃত্বের দপ্তর ও বাসভবনে। ফলে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এই হামলা রাজনৈতিক নেতৃত্বকে দুর্বল করার কৌশল।

একটি ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, এই সামরিক অভিযান দেশের সেনাশক্তি ভেঙে দেওয়া, পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং ইরানে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে। তিনি ইরানের জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, তাদের স্বাধীনতার সময় এসে গেছে। অভিযান শেষ হলে নিজেরাই যেন সরকার নিজেদের হাতে তুলে নেয়, এমন আহ্বান জানান তিনি।

নেতানিয়াহু আরও সরাসরি ভাষায় বলেন, এই আঘাত ইরানের জনগণকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা নির্ধারণের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। প্রতিরক্ষা ও ভূরাজনীতি বিশেষজ্ঞ শশাঙ্ক জোশীর মতে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সাবধানে এমন ভাষা ব্যবহার করেছেন যাতে প্রয়োজনে দূরত্ব বজায় রাখা যায়, যদি এই হামলায় শাসন পরিবর্তন না ঘটে।

নেতানিয়াহুর জন্য ইরানে শাসন পরিবর্তন বহুদিনের লক্ষ্য বলেই মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ইরান ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলিকে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করে আসছেন।

সব মিলিয়ে তেহরানের ওপর এই হামলা শুধু সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তাও বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts