একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরেই এখন জোর প্রস্তুতি চলছে (TMC Ritobrata Bloc)। এবার জেলা নেতৃত্ব এবং বিধায়কদের পাশাপাশি সমাবেশে যোগ দিতে আসা কর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যাজ বা পরিচয়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির (TMC Ritobrata Bloc)। ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠকে এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, সমাবেশে আসা কর্মীদের সহজে চিহ্নিত করা এবং পথে কোনও ধরনের সমস্যার মুখে না পড়তেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন জেলার বিধায়ক ও জেলা সভাপতিদের হাতে এই ব্যাজ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি সফল করতে নানা সাংগঠনিক পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নেতৃত্বের দাবি, কর্মীরা যখন বিভিন্ন জেলা এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে সমাবেশে আসবেন, তখন তাঁদের পরিচয় স্পষ্ট থাকলে অযথা হয়রানির আশঙ্কা অনেকটাই কমবে (TMC Ritobrata Bloc)।
অন্যদিকে একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কালীঘাট শিবির বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের জমায়েতের শর্ত রয়েছে। তবে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ঋতব্রত শিবিরের কর্মসূচিতে সেই ধরনের কোনও সীমাবদ্ধতা নেই। ফলে দুই শিবিরই নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত (TMC Ritobrata Bloc)।
দলীয় সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরের লক্ষ্য বেশি সংখ্যক কর্মীকে সমাবেশে আনা। সেই কারণে ওয়ার্কিং কমিটি, বিধায়ক এবং জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক চলছে। ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সন্দীপন সাহা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ একাধিক নেতা এই প্রস্তুতিতে যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের বৈঠকেই কর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যাজ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নেতৃত্বের মতে, এতে কর্মীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সমাবেশস্থলে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরও নিজেদের দলীয় প্রতীক নিয়েই সমাবেশে যোগ দেওয়ার বার্তা দিয়েছে। ফলে একুশে জুলাইয়ের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।













