তৃণমূলের আসল নেতৃত্ব কার হাতে, তা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই এখনও তুঙ্গে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিধানসভার ঘটনার পর নতুন করে চর্চায় উঠে এল কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) নাম। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের অন্যতম মুখ কুণাল ঘোষ দাবি করলেন, তাঁকে ঋতব্রতপন্থী শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিধানসভায় বক্তাদের তালিকায় নিজের নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। বক্তব্য চলাকালীন তিনি ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক আখরুজ্জামানের সামনে গিয়ে জানতে চান, তাঁর নাম কেন বক্তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বারবার একই প্রশ্ন করায় বিধানসভার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু একাধিকবার কুণাল ঘোষকে নিজের আসনে ফিরে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি (Kunal Ghosh) নির্দেশ না মানায় শেষ পর্যন্ত মার্শাল ডেকে তাঁকে হাউসের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনভর রাজনৈতিক বিতর্ক চলতে থাকে।
পরে সাংবাদিক বৈঠকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের পাশে বসে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) দাবি করেন, ঋতব্রতপন্থী নেতা জাভেদ খান তাঁকে তাঁদের শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। কুণালের কথায়, তাঁকে বলা হয়েছে, অন্য শিবিরে গেলে বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবেন।
কুণাল (Kunal Ghosh) আরও দাবি করেন, আখরুজ্জামান ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা জানালেও উপরমহলের নির্দেশের কারণে কিছু করতে পারছেন না। সেই ‘উপরমহল’ কারা, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বিধানসভার ঘটনার পর এই নতুন দাবি রাজনৈতিক মহলে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে। তৃণমূলের দুই শিবিরের দ্বন্দ্ব যে এখনও থামেনি, এই ঘটনাকে তারই নতুন উদাহরণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।












