বাংলাদেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। ছাত্র আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে দেওয়া সেই ভাষণে তিনি দাবি করেন, দুই হাজার চব্বিশ সালের আন্দোলন শুধুমাত্র ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না, বরং সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তা পরিচালিত হয়েছিল।
শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বক্তব্য, প্রথমদিকে সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার পথেই এগোতে চেয়েছিল। কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল এবং মন্ত্রীরাও আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্তু পরে আন্দোলনের চরিত্র বদলে যায়। তাঁর অভিযোগ, কিছু গোষ্ঠী প্রকৃত ছাত্রদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলনকে অন্য পথে নিয়ে যায় এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিকে সামনে আনে।
তিনি(Sheikh Hasina) আরও দাবি করেন, আন্দোলনের সময় বিভিন্ন সরকারি দফতর, থানাসহ একাধিক স্থানে হামলা হয়। আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিহত ও গ্রেপ্তার হন বলেও তাঁর অভিযোগ। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) এই বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন নিয়েও রাজনৈতিক আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ঘিরে নানা ধরনের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সামনে আসছে। যদিও তিনি তাঁর ভাষণে কোনও নির্দিষ্ট দেশের চলমান আন্দোলনের নাম উল্লেখ করেননি।
বাংলাদেশের রাজনীতি, ছাত্র আন্দোলন এবং শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর।










