ভারতে এখনও বহু পরিবার সম্বন্ধ করে বিয়ের উপর ভরসা করে। সেই ভাবেই সিয়া গোয়াল এবং পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাঁদের নতুন জীবন শুরু হয়। কিন্তু সেই সম্পর্কের পরিণতি এত ভয়াবহ হবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি (Mahatra Murder)।
কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর ঘটনায় সিয়া গোয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর হতবাক তাঁর আত্মীয়রাও (Mahatra Murder)। সিয়ার মামা ও মামি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তাঁরা কখনও ভাবেননি সিয়া এমন কোনও ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন। তাঁদের দাবি, সিয়া এবং কেতন দুজনকেই ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ বলে মনে হয়েছিল।
তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। কেতনের পরিবার সিয়া গোয়াল এবং চেতন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। মৃতের পরিবারের দাবি, লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার আগে থেকেই সিয়ার আচরণ অস্বাভাবিক ছিল। সামান্য বিষয়েও তিনি রেগে যেতেন বলে অভিযোগ (Mahatra Murder)।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট দিনে লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার পরিকল্পনা পরিবর্তন হওয়ায় সিয়া খুবই ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে দাবি পরিবারের (Mahatra Murder)।
মৃত কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে মাথায় একটি কৃত্রিম চুলের অংশ ব্যবহার করতেন। বিয়ের আগেই এই বিষয়টি সিয়ার পরিবারকে জানানো হয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, এমন একটি বিষয় কি কোনও মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার কারণ হতে পারে?
তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আবেদন করেছেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনার তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত তদন্ত এগিয়ে চলছে।
গত আঠারো জুন পুনের কাছে লোহাগড় দুর্গ এলাকায় খাদে পড়ে কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু হয়। প্রথমে ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলেই মনে করা হয়েছিল। কারণ সিয়া জানিয়েছিলেন, পাহাড়ে ঘোরার সময় কেতন পা পিছলে নিচে পড়ে যান। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার মোড় ঘুরে যায়। এখন এই মৃত্যু পরিকল্পিত খুন কি না, সেই দিকেই তদন্তকারীদের নজর।










