Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • ব্যবসায়ী খুনের তদন্তে বড় মোড়! লালবাজারে কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট ও সিভিককে জেরা ঝাড়খণ্ড পুলিশের
রাজ্য

ব্যবসায়ী খুনের তদন্তে বড় মোড়! লালবাজারে কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট ও সিভিককে জেরা ঝাড়খণ্ড পুলিশের

kolkata police
Email :2

ঝাড়খণ্ডে এক ব্যবসায়ীকে খুনের তদন্তে এবার কলকাতার পুলিশের (Kolkata Police) দুই সদস্যকে জেরা করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ। বৃহস্পতিবার লালবাজারে ডেকে জেরা করা হয় বেলেঘাটা ট্রাফিক গার্ডের এক সার্জেন্ট এবং কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে। ঝাড়খণ্ড পুলিশের দাবি, ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ওই সার্জেন্টের (Kolkata Police) মোবাইলে কথা হয়েছিল। একই ভাবে খুনের অন্যতম অভিযুক্ত তথা সুপারি কিলারদের দলের এক সদস্যের সঙ্গে ওই মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারও একাধিক বার কথা বলেছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

কেন খুনের অভিযুক্তের সঙ্গে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) ওই দুই সদস্যের যোগাযোগ হয়েছিল, তা জানতেই তাঁদের লালবাজারে তলব করা হয়। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের দফতরে রাত পর্যন্ত তাঁদের জেরা করে ঝাড়খণ্ড পুলিশের একটি দল। জেরার পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফিও করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। আইনি পদক্ষেপের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে খবর।

পুলিশ (Kolkata Police) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ অগস্ট ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল থানা এলাকার ৩৩ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে একটি হোটেলের বাইরে খুন হন হোটেল ব্যবসায়ী নিখর সবলোক। অভিযোগ, সুপারি কিলাররা তাঁকে লক্ষ্য করে ন’ রাউন্ড গুলি চালায়। তাঁর কাঁধ, পিঠ এবং গলায় গুলি লাগে। পরে জামশেদপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে ঝাড়খণ্ড পুলিশ।

এর পর ঝাড়খণ্ডের পাশাপাশি বাংলা, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তে নেমে সুপারি কিলার-সহ মোট ছ’ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ব্যবসায়ীকে খুন করার জন্য ১৫ লক্ষ টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে তিন একর জমিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া শত্রুতার জেরেই এই খুন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি পুলিশের।

তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে কলকাতার (Kolkata Police) যোগসূত্রের বিষয়টি। ঝাড়খণ্ড পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, ধৃতদের মধ্যে এক জনের সঙ্গে বেলেঘাটা ট্রাফিক গার্ডের ওই সার্জেন্টের মোবাইলে যোগাযোগ ছিল। একই ব্যক্তির সঙ্গে কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের ওই মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারেরও একাধিক বার কথা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। কেন তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছিল, সেটিই এখন তদন্তকারীদের অন্যতম প্রশ্ন।

পুরো বিষয়টি সন্দেহজনক বলে মনে করছে ঝাড়খণ্ড পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। সেই কারণেই কলকাতায় এসে দুই পুলিশ সদস্যকে জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জেরায় তাঁদের কাছে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগের কারণ এবং কথোপকথনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ছ’ জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন। একই সঙ্গে কলকাতার দুই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অভিযুক্তদের যোগাযোগের প্রকৃত কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেরার পর কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের ওই দুই সদস্যের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে অভিযুক্তদের যোগাযোগের প্রকৃত কারণও স্পষ্ট নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts