জঙ্গি সন্দেহভাজন হামিম মণ্ডলকে (Hamim Mondal) জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দাদের দাবি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি এবং তাঁর কনভয়ের চলাচলের রুট নিয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।
তদন্তকারীদের দাবি, হামিম (Hamim Mondal) চিনার পার্ক এলাকায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি চিহ্নিত করেছিল। যদিও এলাকায় কড়া নজরদারি এবং প্রচুর নজরদারি ক্যামেরা থাকায় বাড়ির ছবি বা ভিডিও তুলতে পারেনি বলে জেরায় জানিয়েছে সে।
এসটিএফের দাবি, শুধু বাড়ি নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় যে পথ দিয়ে যাতায়াত করে, সেই রুটও পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, নিউ টাউন এলাকায় একটি ভাড়ার গাড়ি ব্যবহার করে ওই রুট ঘুরে দেখেছিল হামিম (Hamim Mondal) । নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করা যায়, সেই কৌশলও সে ব্যবহার করত বলে তদন্তকারীদের দাবি।
তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, শুধু রাজ্যেই নয়, দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময়ও সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে নির্দেশ পাচ্ছিল হামিম। পাকিস্তান থেকে সামাজিক মাধ্যমে তার কাছে বিভিন্ন নির্দেশ পৌঁছত বলেও তদন্তকারীদের অভিযোগ। এই সমস্ত ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এসটিএফ জানিয়েছে, হামিমের মোবাইল এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে একাধিক সূত্র মিলেছে। সেই সূত্রের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত থাকতে পারে, তা জানতে তদন্ত চলছে।
তদন্তকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, এখনও তদন্ত শেষ হয়নি। হামিমের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ আদালতে বিচারাধীন। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।













