রাজ্যে ধৃত হামিম মণ্ডলকে (Hamim Mondal) ঘিরে তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। গোয়েন্দাদের দাবি, পাকিস্তানে থাকা জঙ্গি সংগঠনের নির্দেশে পুলিশ আধিকারিকদের উপর হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে কোনও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।
তদন্তকারীদের দাবি, হামিম মণ্ডল (Hamim Mondal) পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। একই সঙ্গে আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও তার যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, কয়েক জন পুলিশ আধিকারিককে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। অস্ত্র সংগ্রহ এবং হামলার প্রস্তুতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নির্দেশ আদানপ্রদান হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের কয়েক জন মন্ত্রী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হানিট্র্যাপে ফেলার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই ঘটনায় ধৃত অর্পিতা সরকারকে ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি (Hamim Mondal)।
গোয়েন্দাদের দাবি, হামিমের (Hamim Mondal) মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকটি সম্ভাব্য পরিকল্পনার সূত্র মিলেছে। তার মধ্যে ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে কিছু তথ্যও রয়েছে। তদন্তকারীরা সেই সমস্ত তথ্য যাচাই করছেন এবং কোনও নিরাপত্তা ঝুঁকি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, হামিম একা কাজ করছিল না। সামাজিক মাধ্যমে আরও কয়েক জনের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। তাঁদের মাধ্যমে আলাদা আলাদাভাবে নাশকতার পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কয়েক জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি (Hamim Mondal)।
পুলিশের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় স্লিপার সেল গড়ে তোলা, অর্থ সংগ্রহ এবং অস্ত্র জোগাড়ের সম্ভাব্য পরিকল্পনাও তদন্তের আওতায় এসেছে। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণের কাজ চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।










